1. [email protected] : Mohiuddin Lasker : Mohiuddin Lasker
  2. [email protected] : Prodip Kumar Sarkar : Prodip Kumar Sarkar
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

শ্রীমঙ্গলে ৫শতাধিক মানুষকে সুপেয় পানি পানের সুযোগ করে দিলো আইডিয়া ও ওয়াটার এইড

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত

বিকুল চক্রবর্তী :: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দূর্গত পাহাড়ী এলাকার পাঁচশতাধিক মানুষকে আর পাহাড়ী ছড়ার পানি পান করতে হবেনা। এখন থেকে তারা পান করবে গভীর নলকুপের সুপেয় পানি।
শ্রীমঙ্গলের সীমান্তবর্তী হরিণছড়া চা বাগানের গাঢ় লাইনের ১১৭টি পরিবারের ৫শতাধিক মানুষের পানি পানের একমাত্র উপায় ছিলো পাহাড়ী ছড়া এবং বাগানের কয়েকটি কুয়া। অগভীর নলকুপের লেয়ার না মেলায় তাদেরকে এই পানিই পান করতে হতো বাধ্য হয়ে। কিন্তু তাদের এই দু:খ গুছিয়ে দিয়েছে দুটি উন্নয়ন সংস্থা।
উন্নয়ন সংস্থা ওয়াটার এইড এর অর্থায়নে ও আইডিয়ার কমর্ পরিচালনায় দীর্ঘ দেড় মাস কাজ করে ভূগর্ভে পাথর কেটে প্রায় সাড়ে ৬শত ফুট নিচে গিয়ে বসিয়ে দিয়েছে গভীর নলকুল। আর এ নলকুপ থেকে পুরো লেবার লাইনে পাইপের মাধ্যমে ব্যবস্থা করা হয়েছে সুপেয় পানির।
তাদের এই উদ্যোগের ফলে এখন ৪শত/৫শত ফুট উঁচু পাহারের উপরে বসবাস করা পরিবার গুলো পাইপের মাধ্যমে এখন পানি পাচ্ছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রেম সাগর হাজরা। রাজঘাট ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জীর সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আইডিয়ার নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হক, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ইমামুর রহমান, আইডিয়া এর শ্রীমঙ্গল প্রজেক্ট ম্যানেজার পংকজ ঘোষ দস্তিদার, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, লালতীর সীড এর সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা তাপস চক্রবর্তী, মৃনাল কান্তি দাশ ও শাখাওয়াত হোসেন।
আইডিয়া এর শ্রীমঙ্গল প্রজেক্ট ম্যানেজার পংকজ ঘোষ দস্তিদার জানান, প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা ব্যায় করে দেড়মাস সময় কাজ করে তারা এটি বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি জানান, এটি শুধু খাবারের কাজে ব্যবহার করার জন্য। অনান্য কাজে তারা আগের মতোই কুয়া বা ছড়ার পানি ব্যবহার করবে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জী জানান, হরিণ ছড়ার এই এলাকায় অগভীর নলকুপের লেয়ার নেই। এর আগে গভীর নলকুপ স্থাপনেও ব্যার্থ হতে হয়েছে। আইডিয়া ও ওয়াটার এইড দীর্ঘ সময় ব্যয় করে ভূগর্ভে পাথর কেটে এ সুপেয় পানি পানের ব্যবস্থা করেছে। এ প্রকৃয়ায় তার ইউনিয়নের অনান্য এলাকায়ও এ রকম প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবী জানান তিনি।
ওয়াটার এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার ইমামুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলার আরো ৭টি দূর্গত এলাকায় প্রায় ১০ হাজার মানুষকে অনুরুপ ভাবে তারা সুপেয় পানি পানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..