1. [email protected] : Mohiuddin Lasker : Mohiuddin Lasker
  2. [email protected] : Prodip Kumar Sarkar : Prodip Kumar Sarkar
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

জুড়ীতে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে জোরে ১০ লক্ষাধিক টাকার গোলাই কাঠ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫৮ বার পঠিত

জুড়ী প্রতিনিধি : জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা অফিকুল মিয়ার বিরুদ্ধে চাঁদা না দেওয়ায় জোরপূর্বক কাঠ ব্যবসায়ী মনসুর আহমদের ছিরানোর জন্য স-মিলে মজুদ রাখা ১০ লক্ষাধিক টাকার কাঠাল গাছ (গোলাই) তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাকারী অফিকুলসহ ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতা অফিকুল মিয়া সহযোগীদের নিয়ে ১ বছর পূর্বে পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের কাঠ ব্যবসায়ী মনসুর আহমদের নিকট আড়াই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্বের মতো তিনি তার নিকট চাঁদা চান। কাঠ ব্যবসায়ী মনসুর বরাবরের মতো চাঁদা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে অফিকুল গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দেন। এদিকে বাছিরপুল এলাকার মেসার্স নুরুল ইসলাম স-মিলে ছিরানোর জন্য কয়েকটি লটে মনসুরের ১২-১৩ লাখ টাকার গোলাই কাঁঠাল কাঠ মজুদ রয়েছে। বিকেলে তিনটার দিকে আওয়ামী লীগে নেতা অফিকুল মিয়া ৩ সহযোগী নিয়ে স-মিল থেকে জোরপূর্বক পিকআপ ভ্যানযোগে মনসুর আহমদের কাঠগুলো নিয়ে যান।

বাছিরপুর এলাকার স-মিলের মালিক নুরুল ইসলাম, উনার পার্টনার হোসেন মিয়া জানান, প্রথমে ভাবছিলেন মনসুর আহমদ হয়তো কাঠগুলো বিক্রি করেছেন। ফোন দেওয়ায় তিনি তাদেরকে বাধা দিতে বলেন। কিন্ত আমাদের বাধা-নিষেধ অমান্য করে অফিকুল গংরা জোরপূর্বক পিকআপ ভ্যানে কয়েক ট্রিপে গাছগুলো নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী কাঠ ব্যবসায়ী মনসুর আহমদ অভিযোগ করেন, অফিকুল বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবী করেছে। তিনি কখনো দেননি। বৃহস্পতিবার বিকেলে কয়েক সহযোগী নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় বাছিরপুরে নুরুল ইসলাম স-মিলে ছিরানোর জন্য মজুদ রাখা আমার সাড়ে ১০ লাখ টাকার ২৪১ পিচ গোলাই কাঠাল গাছ নিয়ে গেছে। স-মিলের মালিক ও লেবাররা বাধা দিলেও তারা মানেনি। স-মিল থেকে তুলে আমার কাঠের অংশ বিশেষ সে মেইন রোড সংলগ্ন বদরউদ্দিন জেনারেল হাসপাতালের সম্মুখে রেখেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত অফিকুল মিয়া জানান, তিনি মনসুরের নিকট থেকে কাঠগুলো ক্রয় করেছেন। তবে ক্রয়ের স্বপক্ষে তিনি কোন তথ্য প্রমাণ দিতে পারেননি।

জুড়ী থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তি মধ্যস্থতা করছেন। এজন্য শনিবার দুপুর ১২টায় উভয় পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..